বাতওয়ালের ক্ষুধা

আলতামাস পাশা লেখাটি পড়েছেন 169 জন পাঠক।
 ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকশন কল্প কাহিনী

বাতওয়ালের ক্ষুধা

প্রথম অধ্যায়

সেবার উড়িষ্যার বিড়িগড় পাহাড়ের নির্জনতম বনাঞ্চলে এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটে গেল-যা বিশ্বাসের বাইরে- যা কেউ কল্পনা করতেও পারবে না। বিশ্বাস তো দূরের কথা। শিকারের বাতিক রয়েছে ধনকুবের শিল্পপতি মিনহাজ সাহেবের। ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে শিকারের গেলেন তিনি উড়িষ্যায়। সঙ্গে একমাত্র ছেলে সেলিম। সেও বাপের মতো শিকারী। এছাড়া দলে আছে আরও তিনজন। 

ছোট একটি মশাল জ্বেলে তারা দু’জন- মিনহাজ সাহেব আর সেলিম কথা বলছিলেন। সুপার চার্জার লাইটের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়াতে তারা মশাল জ্বালতে বাধ্য হয়েছেন। মিনহাজ সাহেবের মুখ শুকিয়ে গেছে। ফোলাফোলা চোখ। শরীরে তিনি বিপুলায়তন। তার সামনে মুখোমুখি বসা সেলিম- সে বড্ডো অন্যমনস্ক ও অস্থির। বারবার চকিতত্রস্ত দৃষ্টিতে সবদিকে চেয়ে চেয়ে দেখছে আর চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনছে মিনহাজ সাহেবের ওপর।

পাইপে আগুন ধরাতে ধরাতে মিনহাজ সাহেব বললেন, সারা জীবন আমি শিকারে কাটিয়ে দিলাম, কিন্তু এমনটি কখনও ঘটেনি। পাঁচজনের একটি দল হয়ে এসেছিলাম, আজ এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র দু‘জনে।

কিন্তু ভাবো তো কি হয়েছে তাদের? প্রথমে মুন্সী চাচা, তোমার ব্যবসার প্রধান অংশীদার। কিছুই আমরা জানলাম না, বুঝলাম না। হঠাৎ একটি বিকট চিৎকার শুনে সবাই জেগে উঠি, দেখি কেউ কোথাও নেই। ঠিক যেন ভোজবাজির মতো তিনি মিলিয়ে গেলেন। সেলিমের গলার স্বর শেষের দিকে কেঁপে কেঁপে গেল।

সত্যিই তাই। তারপর গেল মোল্লা, আমাদের শোফার। মিনহাজ সাহেবের হাতে লংরেঞ্জ বেটাগান- মারাত্মক অস্ত্র। একটি গুলিতেই বিশাল হাতিকে ধরাশায়ী করতে সক্ষম। তিনি বলতে থাকেন, তারপর গেল বোলতুং গাইড লোকটি।

মিনহাজ সাহেবের চিন্তাক্লিষ্ট বলিরেখাময় মুখের দিকে তাকিয়ে সেলিম বললো তোমার মনে আছে বাবা, বোলতুং কি বলেছিলো যখন আমরা এ বন থেকে বেরোবার কোন রাস্তা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। ঘুরে ফিরে একই স্থানে বারবার এসে পড়িছিলাম দেখে সে বলেছিলো, ‘আগেকার দিনে লাল যানে করে মহাকাশ থেকে যেসব দেবতা আসতো তারাই না’কি আমাদের পালাবার পথ বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা যে পর্যন্ত শিকার করা বন্ধ করে ফিরে না যাচ্ছি ততক্ষণ পর্যন্ত পথ খুঁজে পাব না। ভিনগ্রহের মানুষরা নাকি পশু শিকার সহ্য করতে পারে না। বলেছিলো শিকারের ইচ্ছা ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের পরিত্রাণ নেই। মরতে আমাদের হবেই। আর সে রাতেই তো বোলতুংও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল।

মিনহাজ সাহেব দুহাতের আঙুলে কপালের দু’পাশ চেপে ধরলেন, তিনি চোখমুখ কুঁচকে বলেতে লাগলেন, আমাদেরও নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে হবে হয়তো।. . .হয়তো মরতেই হবে যদি আমরা এখান থেকে বের না হতে পারি। পণ্ডিত ওঝি মান্ডাকে ভাবছি এই মুহূর্তে স্মরণ করবো। আমার পুরনো বন্ধু পণ্ডিডজিই এখন আমাদের সাহায্য্ করতে পারে। আমাকে ওঝি মাণ্ডা একবার বলেছিলো যে, আমি যদি কখনও খুব ভয়ংকর কোন বিপদে পড়ি এবং তার সাহায্য দরকার হয় তা’হলে মনস্থির করে চোখ বুঁজে তাকে স্মরণ করি এবং সাহায্যের আহবান জানাই।

সেলিম কথাগুলো শুনে বেশ আশ্চর্য হলো, বললো, শুনতে কিন্তু অবাক লাগছে বাবা। আমি তোমাকে অবিশ্বাস করছি না, তবে বুঝতেও পারছি না। যে মানুষটি এখান থেকে বহু দূরে অবস্থান করছে, ধরো হাজার হাজার মাইল, তিনি কি করে আমাদের বিপদের কথা জানতে পেরে আমাদের সাহায্য করবেন? 

মিনহাজ সাহেব সেলিমের কথা শুনে বললেন, প্যারাসাইকোলজি ব্যাপারটাতো জানই। প্যারাসাইকোলজিস্টরা ইএসপি’র কথা বলে থাকেন। ইএসপি’র ক্ষেত্রে আমরা আমাদের জানা ইন্দ্রিয় অনুভূতির বাইরেও অনেক কিছু প্রত্যক্ষ করি, অনুভব করি। এই ইএসপি’িই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাজন হচ্ছে ‘ টেলিপ্যাথি বা মাইন্ড রিডিং’। টেলিপ্যাথির বেলায় একজন মানুষ বহু দূরে অবস্থান করেও অন্যজনের চিন্তার সঙ্গে কোনো মাধ্যম ছাড়াই যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। আর তাছাড়া পণ্ডিত ওঝি মাণ্ডা তো পৃথিবীর মানুষ নন, তিনি ভালকান গ্রহের অধিবাসী। তবে প্যারাসাইকোলজিস্টরা এমন প্রমাণ পেয়েছেন যে কোনো কোনো মানুষের মধ্যে সাইকিক পাওয়ার বিদ্যমান রয়েছে। আমার ধারণা ওঝি মাণ্ডারও তেমন কিছু একটা শক্তি রয়েছে।
-----

সে রাতে ঘুমাতে গিয়ে নেপালের তেড়াই অঞ্চলের গভীর অরণ্যের এক কুটিরে পণ্ডিত ওঝি মাণ্ডা অস্থির হয়ে উঠলেন। তিনি ঘুমাবেন কি, বার বার উঠে বসে চিন্তা করেন, মন সংযোগ স্থিত করতে সচেষ্ট হন। কিন্তু না, কিছুতেই কিছু হয় না। পণ্ডিত ওঝি মাণ্ডা শেষে অস্ফুট কণ্ঠে বলে ওঠেন, ঘুম আসছে না- ঘুম আসছে না। কি যেন আসতে চাইছে আমার কাছে কেউ যেন কিছু চাইছে- কে সে – কে সে- মিনহাজ- ওহ –মিনহাজ সাহেব- মিনহাজ সাহেব ও সেলিম- তার ছেলে- রহস্যময় শক্তির আওতায় বন্দি হয়েছে বিড়িগড় পাহাড়ের গভীর অরণ্যে! আরো সংবাদ পাঠাতে থাকুন মিনহাজ সাহেব, আরো সংবাদ পাঠান- আমি এখুনি রওয়ানা হচ্ছি আপনার পাঠানো সংবাদের রেশ ধরে- ভাববেননা- ঠিক পৌঁছে যাব।
বিশেষ ধরণের হাইড্রোজেন ফিউল চালিত বিমানে করে ওঝি মাণ্ডা  যখন উড়িষ্যার অ্যারোড্রোমে ল্যান্ড করলেন তখন সেখানে সবেমাত্র ভোর হয়েছে। পূর্ব পরিচিত এক আদিবাসী গাইড তাংতিয়াংকে খুঁজে বের করে সঙ্গে নিয়ে বিড়িগড়ের পথে যাত্রা করলেন তিনি। তাংতিয়াং আদিবাসী মুণ্ডা। মুণ্ডাদের গ্রামে শত শত বছর আগে এসেছিলো আকাশ পথে ভালকানরা। তাংতিয়াং এর ঠাকুরদাদা তখন মুণ্ডাদের রাজা, তাদের সর্দার। লাল রং এর চাকতি আকৃতির মহাকাশ যান  একদিন সন্ধ্যায় নেমে আসে মুণ্ডা গ্রামে। তখনও  ব্রিটিশ আসেনি এদেশে। মুণ্ডা এলাকায় অন্যকোন মানুষেরও আগমন ঘটেনি। তাই মুণ্ডারা সেদিন অবাক হয়েছিল প্রচণ্ডভাবে। তাংতিয়াং তার দাদীমার  কাছে শুনেছে সেসব কাহিনী।
-------

সূর্য তখন অস্ত যেতে বসেছে। মুণ্ডা গ্রামে সন্ধ্যা নামছে। গ্রামে সেবার হোলি খেলার উৎসব ছিল। সন্ধ্যা নামতেই তাই মুণ্ডাদের গ্রামে গ্রামে হোলি খেলার উৎসব লেগে গেল। হোলির আগুনের মধ্যে লাল রং চাকতির আর্বিভাব মুণ্ডাদের ভয় পাইয়েছিল ভীষণ। গ্রাম পাহান নিজে চাকতিটির কাছে যায়। তারপরেই সে এক অদ্ভূত কাণ্ড। চাকতিটির ভিতর থেকে লাল আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে আর অদ্ভুত শব্দ ভেসে আসছে। মুণ্ডারা ভেবেছিল দেবতারা বুঝি স্বর্গ থেকে নেমে এসেছে। সবাই তখন প্রণাম করতে শুরু করে সেই চাকতির চারপাশে লুটিয়ে পড়ে। পাহান হাত জোর করে সামনে আর একটু এগিয়ে যায়। অমনি সবাই অবাক বিস্ময়ে দেখে পাহানের শরীরের চারপাশে কেমন জানি আলোর বিচ্ছুরণ, কাঁপাকাঁপি। এ সময় পাহানের দেহ যেন বাতাসে মিলিয়ে যায়। ভয়ে সবার গলা শুকিয়ে যায়। পাহান গেল কোথায়?

আসলে পাহানকে ভালকানরা তাদের স্পেসশীপে নিয়ে গিয়েছিলো। পাহানকে ভালকানরা নানা কথা জিজ্ঞাসা করে। সে এক বিচিত্র কাহিনী। সব কথা তাংতিয়াং জানেও না। কিন্তু বয়স্ক মুণ্ডরা জানে ভালকানরা পৃথিবীর মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে এসেছিলো। কিন্তু পৃথিবীর মানুষের হাবভাব দেখে তাদের ভালো লাগেনি। তবে পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাথে ভালকানদের সম্পর্ক স্থাপিত হয়। আজও আদিবাসীদের লোকগাঁথা, গান আর নাচের মুদ্রায় ভালকানদর কথা লুকিয়ে আছে। আদিবাসীদের অস্তিত্বেই যেখানে হুমকির মুখে, সেখানে এসব খবর আর কে রাখবে!
-------
মুণ্ডা মেয়ে সোয়েলী। আজ এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড অসুস্থ সে। মুণ্ডাদের নিজস্ব পদ্ধতির চিকিৎসায় কোনো কাজ হয়নি। মুণ্ডাদের মধ্যে ব্যাপারটি নিয়ে কান্নাকাটি পড়ে গেছে। উপায় কি? না কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া যায় নি। তখন ঠিক হল সোয়েলীকে ভালো করার জন্য দেবতার কাছে পূজো দেওয়া হবে।  মুণ্ডাদের বিচিত্র সে পূজা অনুষ্ঠানে ভালকানরাও উপস্থিত ছিল। তবে পাহানের অনুমতি ছাড়া ভিতরে প্রবেশের অধিকার তারা পায়নি। উষা ও রাতের সন্ধিক্ষণে সোয়েলীর অবস্থা্ যখন চরম ভাবে খারাপের দিকে যাচ্ছিল তখন ভালকানরা হস্তক্ষেপ করলো। পাহানকে আবার ভালকান স্পেসশীপে ডেকে পাঠানো হল। মিনিট পনেরোর মধ্যেই সোয়েলীকে বিম আপ করে ভালকান স্পেসশীপে নিয়ে যাওয়া হল।পাহান ছাড়া মুণ্ডাদের অন্য কেউ সেখানে যায়নি। তবে পাহানের মুখে সে কাহিনী আজও কিংবদন্তি হয়ে আছে। পাহাড়ের মাঝে আজ্ও তা কাহিনী হয়ে আছে। থাকবেও শত সহস্র বছর। কে বলবে সঠিক করে?

পাহানের মুখের সে কাহিনী, সে বিচিত্র বর্ণনা মুণ্ডাদের বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মুখে আরো ডালপালা মেলেছে। তাংতিয়াং দাদীমার কাছে শুনেছে সোয়েলী চোখের ভিতর ভালকানরা প্রবেশ করেছিলো। সোয়েলীর মাথার ভিতরে কি এক শিরা না’কি ছিঁড়ে গিয়েছিলো। সে শিরার মেরামত শেষে চোখ দিয়েই আবার তারা বের হয়ে আসে।

তাংতিয়াং ওঝি মাণ্ডার বর্তমান আগমনের কারণ জিজ্ঞাসা করে বলে ওঠে, আবার এসেছেন আপনি এদিকটায়, কর্তা? এবার কোথায়, কোন দিকে যাবেন? 
এবার আমরা অন্য কাজে এসেছি তাংতিয়াং। আমার এক বন্ধু পাহাড়ের ও মাথায় বনে আটকা পড়ে আছে। যে জায়গায় তারা আছে তার নাম বলেছে বাতওয়াল উপত্যকা। 

নাম শোনা মাত্রই তাংতিয়াং এর মুখখানা ভয়ে শুকিয়ে গেল।
বাতওয়াল! সেতো ভয়ানক জায়গা- ও  জায়গাটা জুড়ে অভিশাপ ছড়িয়ে আছে। ওখানে যে যায়, সে আর ফেরে না কোনোদিনও। স্থানীয় মুণ্ডু শিকারীরাও ভয় করে। বাতওয়াল সীমান্তে ওদেরও কেউ তাই পা রাখে না। ওখানে না’কি মাংসভোজী এক দূরন্ত দেবতা জাগ্রত অবস্থায় আছে- সে কেবল রক্ত আর মাংস খেতে ভালোবাসে!

আমারা নিশ্চয় সেখানে যাচ্ছিনা কর্তা?

কিন্তু আমাদের গন্তব্যস্থান যে ঠিক ঐখানেই তাংতিয়াং। তবে তোমার ভয় নেই। আমি একাই প্রবেশ করবো ঐ বনে।

ওঝি মাণ্ডার কথা শুনে তাংতিয়াং নিষ্পলক চোখে চেয়ে থাকে।

ওঝি মাণ্ডা এগিয়ে চলেন একা একা। ক্রমশ তিনি গভীর থেকে গভীর অরণ্যে প্রবেশ করেন। একটি সুন্দর বন ফুলের গন্ধে বাতাস আমোদিত হচ্ছে। ওঝি মাণ্ডা গভীর চিন্তা মগ্ন। ক্রমেই জঙ্গল গভীরতম হওয়ায় তার হাঁটতে অসুবিধা হতে থাকে। অন্ধকারে পথ চলার জন্য তিনি লেসার ডিটেক্টরের সাহায্য নিতে থাকেন। চলার পথে গাছ-গাছালি বিশেষ ধরনের কাটিং গান দিয়ে কেটে পরিষ্কার করতে করতে তিনি এগিয়ে চলেন। ঘন্টার পর ঘন্টা কাঁটা ঝোঁপ, লতার জাল, ছোট-বড় গাছের ডালপালা সব সরিয়ে তাকে সামনে এগোতে হয়। মিনহাজ সাহেবের তাঁবুর অস্পষ্ট একটি ছবি ওঝি মাণ্ডার চোখের সামনে ক্ষণিকের জন্য দেখা দিয়েই মিলিয়ে যায়।

ওঝি মাণ্ডার মনে হয় জন্তু-জানোয়ার, পশু-পাখি সব যেন জঙ্গল থেকে পালিয়েছে। শুধু দু’একটি বাদুর পাখা ঝাপর্টিয়ে মাঝে মাঝে উড়ে যেতে থাকে। ক্রমশ সন্ধ্যার অন্ধকার এসে ঘিরে ফেলে চারপাশ। ওঝি মাণ্ডা শংকিত হলেন। অন্ধাকার আরো গাঢ় হবার আগেই তাকে খুঁজে পেতে হবে মিনহাজ সাহেবদের ক্যাম্পটিকে। রাত্রি গভীর হলে বাতওয়াল উপত্যকায় তারা মোটেই নিরাপদ নন। অবশ্য এতক্ষণে তাংতিয়াং নিশ্চয়ই বাতওয়ালের দেবতার উদ্দেশ্যে একটি হরিণ বলি দিয়ে ফেলেছে।

হাসি লাগে ওঝি মাণ্ডার। মুন্ডাদের অশুভ আত্মায় বিশ্বাস তাকে শক্তি যোগায়। তার চারপাশে গান গাইছে রাক্ষুসে মশার পাল। তবে ওঝি মাণ্ডার গায়ের বিশেষ স্বচ্ছ আবরণী ভেদ করা মশাদের কর্ম নয়। এ সময় মাণ্ডা লক্ষ্য করলেন, সামনের জঙ্গলের কোথাও খুব গভীর, আবার কোথাও বা একটু পরিষ্কার মতো দেখা যাচ্ছে। তার চোখের দূরত্ব নির্দেশক যন্ত্র আভাস দেয় মিনহাজ সাহেবদের তাঁবু আর বেশি দূরে নয়। (চলবে)

পাঠকের মন্তব্য


একই ধরনের লেখা, আপনার পছন্দ হতে পারে

bdjogajog