দ্বিতীয় পর্ব
নিলয় ভাবে সেকি পাগল হয়ে যাচ্ছ? পৃথিবী জুড়ে করোনার আস্ফালনই এজন্য দায়ী। মানুষের চিন্তা শক্তি নষ্ট করে দেয়। নিলয়ের মনে হয় তার ছেলেবেলার কথা। গ্রামে কেটেছে তার শৈশর আর কৈশোর। গ্রামে থাকতে সে শীত-গ্রীষ্ম পাখির বাসা দেখে বেড়াতো। কত রকম পাখি। ডাহুক, বক, শালকি, ফিঙে, মাছরাঙা আরো কত! কাকের বাসায় নানান জিনিষ পাওয়া যেতো। তাই মাঝে মাঝেই কাকের বাসায় হানা দিতে ভালাে লাগতো নিলেয়ের। বিভিন্নি ধরনের চামচ, সাবান, এমনকি মাঝে মাঝে টাকাও পাওয়া যেতো। সে ভারী মজার ব্যাপার ছিল।
কত রকম পাখি আছে যাঁরা কথা বলতে পারে, তবে তা শেখানো বুলি। কিন্তু কাকা তো সেসব পাখির পর্যায়ে পড়ে না। ত’হলে? এই কাক কথা বলা শিখলো কিভাবে? তাও নিজের চাহিদা বুঝে কথা বলছে। শুধু তাই নয় আবার স্পষ্ট বাংলায়। সেন্দুইচের বাকী অংশ নিলয় কাকটির দিকে ছুঁড়ে দিতে যেতেই কাকটি আবারো বলে উঠে, ‘এভাবে ছুঁড়ে দিও না, তোমার প্লেটটা বারান্দার গ্রিলের নীচে রাখ আমি ওখান থেকেই খাবো। কাকটা উড়ে এসে বসে গ্রিলের ওপর। তারপর ঠোঁট দিয়ে সেন্ডুইচের বাকী অংশ একটু একটু করে ছিঁড়ে খায়। নিলয় বিস্ফোরিত চোখে চেয়ে চেয়ে দেখে। (চলবে)