কাক কাহিনী (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন) (চতুর্থ পর্ব)

আলতামাস পাশা লেখাটি পড়েছেন 132 জন পাঠক।
 চতুর্থ পর্ব

পাখিদের নিয়ে নিলয়ের পড়াশুনা এগিয়ে চলে। শীঘ্রই তার জুম মিটিং হবে পক্ষীবিদ ড. সোবহানের সঙ্গে। পাখিদের সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতো না নিলয়। যেমন পাখিরা হচ্ছে পৃথিবীর বড় আবহাওয়াবিদ। একথা আজ বিশ্বপয় প্রমাণিত সত্য যে, পাখি এবং প্রাণীরা যে কোন প্রাকৃতিক দুর্র্যোগের আগাম সংকেত পেয়ে যায় এবং নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছোটে সংকেত দিতে দিতে। কখনোবা ওড়ার ভঙ্গিমাতেই স্বজাতিরা এবং অন্য পাখিরা ব্যাপারটি বুঝে যায়।  এমনকি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময় বা দুপুরেই যদি ঘন কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে যায়, সে ক্ষেত্রেও পাখিরা তা বুঝে ফেলে এবং নিরাপদ আশ্রয়ে ছোটে। পাখিদের কণ্ঠস্বর কিংবা উড়ে যাবার ভঙ্গিতে কি গ্রাম, কি প্রাকৃতিক বন, এমনকি আদিবাসী মানুষদেরও জানা হয়ে যায় কী ধরনের বিপদ কোন দিক থেকে আসছে। পাখিদের সংকেতে হাজারো রকমের দিকনির্দেশনা থাকে। পাখিরা নদী-সাগরের ঘ্রাণ ও বাতাস শুকে জলোচ্ছ্বাস, ঝড়, ঘূর্ণিঝড় কিংবা টর্ণোডোর আভাস পেয়ে যায় আগেভাগেই। প্রকৃতি ওদের মগজে বা চোখের রাডারে ঠিকই বিপদ সংকেত পৌঁছে দেয়। প্রকৃতিরও একটি নিজস্ব রোজনামচা আছে। যা মানুষ জানে না বা জানার চেষ্টাও করে না, কিন্তু পাখি ও প্রাণীরা তা জানে ও বোঝে। পাখিসহ বিভিন্ন প্রাণী পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে চলে। মানুষ তা বুঝেও বুঝতে চায় না। প্রকৃতিকে অবহেলার ফল এখন মানুষ পাচ্ছে। প্রকৃতির ক্ষতি করলে তার ফল হাতে-নাতেই পেতে হয়। (চলবে)

পাঠকের মন্তব্য


একই ধরনের লেখা, আপনার পছন্দ হতে পারে

bdjogajog