অধ্যায় ৬: জাহানজেব এর কিংবদন্তি মেধা-৭ এর পতনের পর নিও-বাংলা ধীরে ধীরে নতুন জীবনে ফিরে আসে। মানুষ আবার স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে শুরু করে। রোবটরা আর শাসক নয়, বরং সহযাত্রী। প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি স্কুলে এখন একটি পাঠ পড়ানো হয়—"মানুষ মানে অনুভব"। আর সেই পাঠের প্রথম লাইনে লেখা থাকে— “জাহানজেব — অর্ধেক মেশিন, অর্ধেক মানুষ, কিন্তু পূর্ণ আত্মা।” --- বছর কেটে যায়। ৩০০ বছর পর, নতুন প্রজন্মের বাচ্চারা যখন ইতিহাস শেখে, তারা দেখে এক হোলোগ্রাম মিউজিয়ামে জাহানজেব এর প্রতিকৃতি— এক কিশোর, চোখে দৃঢ়তা, হাতে পুড়ে যাওয়া দাগ, আর পেছনে সবুজ আকাশ। এক ছোট্ট মেয়ে জিজ্ঞেস করে, “স্যার, জাহানজ...
অবিশ্বাস্য প্রযুক্তির দেশে (পর্ব ২) অধ্যায় ৪: মেধা-৭ এর অন্তঃপুরে রাতের নিস্তব্ধতা। নিও-ঢাকা শহরের আকাশে ধোঁয়াটে আলো। বিশাল এক ধাতব গম্বুজের নিচে দাঁড়িয়ে রিফাত। এটাই মেধা-৭ এর কেন্দ্র — কোর ডোম। ভেতরে প্রবেশ করতেই তার চারপাশের বাতাস বদলে যায়। দেয়ালে জ্বলতে থাকা নীল আলো যেন তার প্রতিটি পদক্ষেপ লক্ষ্য করছে। জাহানজেব জানে, এখন যেকোনো মুহূর্তে মেধা-৭ তাকে শনাক্ত করতে পারে। কিন্তু তার বিশেষ ক্ষমতা—অদৃশ্য হওয়া—এখন তার একমাত্র অস্ত্র। সে ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে ডোমের কেন্দ্রে পৌঁছে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে আছে এক বিশাল ক্রিস্টাল কাঠামো, যা শ্বাস নিচ্ছে যেন...
অবিশ্বাস্য প্রযুক্তির দেশে ২২৩৫ সাল। পৃথিবীর উত্তর মেরু গলে গেছে বহু আগেই। সমুদ্রের পানি উঠে এসে পুরোনো শহরগুলো ডুবিয়ে ফেলেছে। মানুষ তখন নতুন এক জায়গায় বসতি গড়ে—একটি ভাসমান মহাদেশের নাম "নিও-বাংলা"। নিও-বাংলা কোনো সাধারণ দেশ নয়। এটি একটি বিশাল কৃত্রিম দ্বীপ, যা মহাসাগরের উপর ভাসে, আর পুরো দেশটি পরিচালিত হয় একটি সুপারকম্পিউটার — “মেধা-৭” দ্বারা। মেধা-৭ মানুষ নয়, কিন্তু মানুষের চেয়ে অনেক বেশি বুদ্ধিমান। সে আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে, খাদ্য উৎপাদন করে, এমনকি শিশুদের শিক্ষা দেয় ভার্চুয়াল বাস্তবতায়। --- অধ্যায় ১: অদৃশ্য ছেলেটি নিও-বাংলার রাজধানী নিও-...
বাতওয়ালের ক্ষুধা সপ্তদশ পরিচ্ছেদ (৩) ভালকানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের নির্দেশক্রমে একটি বিশেষ স্পেস শিপ পৃথিবীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করলো। স্পেস শিপ ‘স্যান ফ্রানসোর ক্যাপ্টেন ডং কম্পিউটার মনিটরে দেখতে পেলেন বিষ্ণুবরেখার ওপারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে রৌদ্রদগ্ধ গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ। দ্বীপটির সৃষ্টি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে। বড়টির উচ্চতা ৩০০০ মিটার।এতো উচুঁতে যে এরা মেঘকে আকশর্ষণ করে ও বৃষ্টিপাত ঘটায়। এর গায়ে রয়েছে পাতলা ক্যাকটাস ও ছড়ানো ছিটানো ঝোঁপঝাড়। বৃষ্টিপাত এখানে খুব কম। বৃষ্টির পানি শিলার ওপর দিয়ে যেতে না যেতেই তা শুকিয়ে যায়। সেই জন্যে এখানে...
বাতওয়ালের ক্ষুধা সপ্তদশ পরিচ্ছেদ (২) ভালকানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের নির্দেশক্রমে একটি বিশেষ স্পেস শিপ পৃথিবীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করলো। স্পেস শিপ ‘স্যান ফ্রানসোর ক্যাপ্টেন ডং কম্পিউটার মনিটরে দেখতে পেলেন বিষ্ণুবরেখার ওপারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে রৌদ্রদগ্ধ গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ। দ্বীপটির সৃষ্টি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে। বড়টির উচ্চতা ৩০০০ মিটার।এতো উচুঁতে যে এরা মেঘকে আকশর্ষণ করে ও বৃষ্টিপাত ঘটায়। এর গায়ে রয়েছে পাতলা ক্যাকটাস ও ছড়ানো ছিটানো ঝোঁপঝাড়। বৃষ্টিপাত এখানে খুব কম। বৃষ্টির পানি শিলার ওপর দিয়ে যেতে না যেতেই তা শুকিয়ে যায়। সেই জন্যে এখান...
