কাক কাহিনী (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকশন কল্পকাহিনী) পঞ্চম পর্ব

বিস্তারিত পড়ুন

কাক কাহিনী (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকশন কল্পকাহিনী) পঞ্চম পর্ব

আলতামাস পাশা

পঞ্চম পর্ব সব কিছু এভাবেই চলছিল । কাকটি প্রায় প্রতিদিনই আসে। নিলয়কে বিভিন্ন বিষয়ে তার জ্ঞান দেয়। মানুষ কেন অমানুষে পরিণত হতে চলেছে সে বিষয়ে তার দুঃখের কোন শেষ নেই। অনেক বিষয়ে কাকটি তার সুচিন্তিত পরিকল্পনাও প্রকাশ করে। নিলয় হঠাৎ কাকটির কাছে তার নাম জানতে চায়। কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে কাকা উত্তর দেয়, আমার নাম, তুলতুল। কাকের নাম আবার তুলতুল হয় কীভাবে ভাবনায় পড়ে নিলয়। পক্ষীবিদ ড. সোবহান সব কিছু শুনে পরামর্শ দিয়েছেন গোপন একটি মিনিয়েচার ক্যামেরা দিয়ে কাকের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণের। তিনি সিসিটিভি ক্যামেরা না লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ কাকটি যদি আগে থেকেই সিসিটিভি চি...

কাক কাহিনী (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন) (চতুর্থ পর্ব)

বিস্তারিত পড়ুন

কাক কাহিনী (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন) (চতুর্থ পর্ব)

আলতামাস পাশা

চতুর্থ পর্ব পাখিদের নিয়ে নিলয়ের পড়াশুনা এগিয়ে চলে। শীঘ্রই তার জুম মিটিং হবে পক্ষীবিদ ড. সোবহানের সঙ্গে। পাখিদের সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতো না নিলয়। যেমন পাখিরা হচ্ছে পৃথিবীর বড় আবহাওয়াবিদ। একথা আজ বিশ্বপয় প্রমাণিত সত্য যে, পাখি এবং প্রাণীরা যে কোন প্রাকৃতিক দুর্র্যোগের আগাম সংকেত পেয়ে যায় এবং নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছোটে সংকেত দিতে দিতে। কখনোবা ওড়ার ভঙ্গিমাতেই স্বজাতিরা এবং অন্য পাখিরা ব্যাপারটি বুঝে যায়। এমনকি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময় বা দুপুরেই যদি ঘন কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে যায়, সে ক্ষেত্রেও পাখিরা তা বুঝে ফেলে এবং নিরাপদ আশ্রয়ে ছোটে। পাখিদের কণ্ঠস্বর ক...

কাক কাহিনী    (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন) (তৃতীয় পর্ব)

বিস্তারিত পড়ুন

কাক কাহিনী (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন) (তৃতীয় পর্ব)

আলতামাস পাশা

তৃতীয় পর্ব আসলেই কি নিলয়ের ভ্রান্ত প্রত্যক্ষণ হচ্ছে? এমনটি তো হবার কথা নয়। ল্যাপটপে সে স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে। কোথাও কোনো গন্ডগোল নেই। কেবল এই কাকটি- আচ্ছা, পৃথিবীর সব দেশেই তো কাক আছে। নিলয়ের বাসার বারান্দার গ্রিলে বসে সেন্ডুইচ খাচ্ছে যে কাকটি তার শরীরের কোথঠর কোনো ডিভাইস লাগানো নেই তো? এমন কি হতে পাওে যে, কাকটিকে কেউ আড়াল থেকে নির্দেশনা দিচ্ছে? কাক নিয়ে কোন পরীক্ষা বা গবেষণা চালাচ্ছে? এমনটি তো মাথায় আসেনি নিলয়ের। এভাবেই দিন সাতেক চলে যায়। কাক প্রতিদিন নিলয়ের বারান্দায় এসে খাবার খেতে চায়। ভালো মন্দ নিয়ে কথা বার্তাও বলে। এই তো সেদিন বললো, ‘শোনো নিলয়, তোমাদের পৃথি...

বাতওয়ালের ক্ষুধা (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন বা বিজ্ঞান কল্প কাহিনী)  দশম পরিচ্ছেদ

বিস্তারিত পড়ুন

বাতওয়ালের ক্ষুধা (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন বা বিজ্ঞান কল্প কাহিনী) দশম পরিচ্ছেদ

আলতামাস পাশা

দশম পরিচ্ছেদ শরণখোলা থেকে কটকার দূরত্ব প্রায় ৬৫ কিলোমিটার। বন বিভাগের রেস্ট হাউস আছে এখানেও। রেস্ট হাউজের মাইল দুয়েক সামনেই ঘন অরণ্য। রাতে এখানে বাঘের ডাকও শোনা যায়। সকাল থেকেই সেদিন ঝিরঝিরিয়ে বৃষ্টি। এক আকাশ মেঘ থেকে ঝরেই চলেছে। এরকম বৃষ্টির মধ্যে বাইরে বেরোতে মোটেই ইচ্ছা হচ্ছিল না প্রফেসর রব্বানীর। বিছানায় শুয়ে কাটালেন সারাটা দিন। এখন বিকেল হয়ে গেছে। জানালার বাইরে মরা আলো। বাঘটার কথা ভাবছিলেন প্রফেসর রব্বানী। বাঘ সাধারণত লোকালয়ে এসে মানুষ আক্রমণ করে আহত বা বৃদ্ধ হয়ে পড়লে। এ বাঘটির মানুষ খেকো হবার কারণ কী তা জানা দরকার। আর সংরক্ষিত বনের বাঘের মানুষখেকো হবা...

বাতওয়ালের ক্ষুধা (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন বা বিজ্ঞান কল্প কাহিনী)

বিস্তারিত পড়ুন

বাতওয়ালের ক্ষুধা (ধারাবাহিক সায়েন্স ফিকসন বা বিজ্ঞান কল্প কাহিনী)

আলতামাস পাশা

নবম পরিচ্ছেদ এখন শীতকাল। নভেম্বর শেষ হয়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ চলছে। সকাল বেলায় এদিকে বেশ কুয়াশা পড়ে। প্রফেসর রব্বানী ধূমায়িত চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বন বিভাগের বাংলোর বারান্দায় দাঁড়িয়ে। ঘন কুয়াসায় চারপাশে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। রশিদ গাইনের আজ আশার কথা ছিল হিরণ পয়েন্ট থেকে। সেখানে বিনা অনুমতিতে কারা যেন হরিণ শিকার করেছে। বিস্তারিত অনুসন্ধানে রশিদকে দু’জন ফরেস্ট নিরাপত্তা গার্ডসহ পাঠনো হয়েছে। খবরটা শুনে প্রফেসর রব্বানীও ভাবছিলেন স্পট অনুসন্ধানে যাবেন কি’না। কারণ হিরণ পয়েন্টে নদীর চওে কুমির আর হাঙ্গও আজকাল বেশ স্বচ্ছন্দে বিচরণ করে বেড়ায়। বঙ্গোপসাগরের উপ...

bdjogajog