চায়ের কাফে

বিস্তারিত পড়ুন

চায়ের কাফে

আলতামাস পাশা

সস্তা চায়ের কাফে দোকানীর হাতে মৃদু মধুর টুংটাং চায়ের কাপে, তন্বী সাকীর হাতে নীল পেয়ালায় রঙিন শারাব। জেগে উঠে সাকী খৈয়াম- হাজার বছরের ঘূম ভেঙ্গে যায় পলকে। রুক্ষ শ্রীহীন হাতে ঢেলে চলে চা। ঠ্যারা চোখে চেয়ে দোকানী মৃদু মধুর টুং টাং বয়ে আনে স্বপ্নের কথা। মনে হয় নয় এ চায়ের দোকান। ভেঙ্গে গেছে ঘুম. . . .নওরোজ উৎসব যেনো আজ, মোগল হেরেমে রূপ গরবিনী নারী; যেনো আজ, কতো বিকিকিনি। কংকন কিংকিনি বাজে মৃদু রিনিঝিনি। রতœ খচিত হাসি, বেগম- বাদশাজাদী দুলছে ছায়ায়। নির্জনে কাঁদছে কোথায় কঠিন পাষাণ- আহত নিঝর ধারা. . . কঠিন উপল খ- ব্যথিত চরণ. . . আর্তনাদে পূর্ণ নীল পেয়ালায়। তরুণ তন্বী সাকী, বিলো...

দীর্ঘ আয়ু

বিস্তারিত পড়ুন

দীর্ঘ আয়ু

আলতামাস পাশা

জীবনের অর্থ খোঁজায় ব্যস্ত এক কবি ভেবে চলে, লিখে চলে- তারপর? বৃক্ষেরা তাকে জানায় জীবনের বিচিত্র সব কথা, প্রত্যক্ষদর্শী তারা অনেক কালের। স্বল্প আয়ু মানুষের আকাঙ্খা অনেক। ক”ছপের মতো সে দীর্ঘআয়ু নয় বটে, তবে বাঁচার শখ আর তীব্র বাসনায় কখনওবা ছুঁয়ে যায় শতায়ু সময়- সবাই নয়, কেউ কেউ সংখ্যায় নারী বেশি না পুরুষ তাও পরিসংখ্যানের বিষয়। দীর্ঘ সময়ের জীবন মানুষের জন্য যন্ত্রণার, সুখ-দুঃখের স্মৃতির লং প্লে রেকর্ড বার বার বাজানো যেমন। এখন রেকর্ডের যুগ সমাপ্ত প্রায়, সিডিতে শুনি বেটোভেন, মোর্জাট; জীবনের সিডিতে স্বপ্ন, সুখ-দুঃখ লিখে যেতে চাই, পারি না। মনের সিডি রাইটারে বারবার ন...

রক্তাক্ত বর্ণমালা

বিস্তারিত পড়ুন

রক্তাক্ত বর্ণমালা

আলতামাস পাশা

বর্ণমালারা জীবন্ত হয়- বর্ণ পরিচয়ের বুক থেকে অ, আ, ই, ঈ প্রতিবাদে সোচ্চার; রাজপথে ঠাঁই নেয় প্রতিবাদী বর্ণমালা সব; মিছিলে মিছিলে ভঙ্গ করে শাসকের জারি করা আইন। রক্তাক্ত বর্ণমালা সব শহীদের নাম লিখে দেয় কৃষ্ণচূড়া পলাশের রক্তমাখা শাখায় শাখায়। পাখিদের করুণ গানে বিষণ্ণ হয় হিমমাখা ফাগুনের প্রথম প্রহর। এখনো আমরা জানি ‘মা’র মতো শুদ্ধ আর কোনো শব্দ নেই, যদি তার মর্যাদা দিতে পারি; বর্ণমালার মতো আর কোনো সুন্দর নেই, যদি মনের কথা বলতে পারি; ভাষার জ্ঞানের মতো আর কোনো আলো নেই, যদি তার প্রজ্ঞায় দীক্ষিত হতে পারি। নিজের ভাষার মতো আর কোনো পবিত্র কিছু নেই; জনপদে, লোকালয়ে অথবা পাহাড়ের স...

নস্টালজিয়া

বিস্তারিত পড়ুন

নস্টালজিয়া

আলতামাস পাশা

যেমন জড়িয়ে ছিলে ঘুম ঘুম বরফ মাসে। আমিও খুঁজি তোমায় আমার আশেপাশে। আবার সন্ধ্যাবেলায় ফিরে যাওয়া জাহাজ পাশে। বুকে পাথর রাখা মুখে মৃদু হাসি। যে যায় নিজের দেশে। আমরা স্রোত কুড়াতে চাই- যেভাবে জলদি হাত মেখেছে ভাত, নতুন আলুর খোসা এবং এই ভালোবাসা। আমার দেয়াল ঘড়ির কাটায় তুমি মিশে আছো!! অর্থহীন ভালোবাসায় শিহরিত!! দিনগুলোর মাঝে নতুন আলোর বিচ্ছুরণ, ধ্বনিত-প্রতিধ্বণিত হয় নিরাশার শব্দমালা।।

সাবাশ সুবোধ

বিস্তারিত পড়ুন

সাবাশ সুবোধ

আলতামাস পাশা

সুবোধ তুমি প্রভু ভক্ত কুকুর হও। মনটা ভিজিয়ে নাও নানকাটরা বিস্কুট আর চায়ে। তারপর জো হুকুম প্রভু বলে, স্লোগান দাও বিপ্লবের বিপক্ষে। তোমার মাথায় প্রভুরা হাত বুলিয়েে এটোঁ মাংসের হাড় ‍চিবাতে দিবে; তাতেই তুমি সন্তষ্ট থেকো; তা‘না হলে অরণ্যেও তোমার স্থান হবে না। রাস্তার কুকুরের অধিকার নিয়ে ঐ হাজার বলদ মিছিল করে; পোস্টারে সয়লাব সিটি কর্পোরেশনের দেয়াল। ‘হায় সুবোধ’ তোমার জন্য মিছিল কই? পোস্টার কই? নিজেই আকোঁ, একেঁ চলো দেয়াল লিখন- আর তোমার খোঁজে দিনভর ওরা শহর জুড়ে চালায় চিরুনি অভিযান।

bdjogajog