সব উচ্ছ্বাস থামলে তুমি কোথায় থাকবে?

বিস্তারিত পড়ুন

সব উচ্ছ্বাস থামলে তুমি কোথায় থাকবে?

আলতামাস পাশা

সব উচ্ছ্বাস এক সময় থেমে যাবে, তুমি তখন আবার মেতে উঠবে নতুন কিছু নিয়ে। জী্বন কেবল উচ্ছ্বাস আর উৎকণ্ঠায় ভরা কত বার নানা রঙের উচ্ছ্বাস, উৎকণ্ঠা, আকুলতা তুমি পার হয়ে এলে। এ যেন প্রশান্ত মহাসাগরের ঢেউয়ের মতো; অথবা, আতলান্টিক মহাসাগরের শীতলতম ঢেউয়ের আহাজারি; কিন্তু সব উচ্ছ্বাস, উৎকণ্ঠা, আকুলতা, আকাঙ্খা থেমে যাবার পরে তোমার অবস্থান কোথায় হবে? নতুন ভেসে উঠা পদ্মা সেতুতে? না’কি কিছুটা পুরাতন যমুনা সেতুর ফাটল ধরা অংশে??

শতাব্দীর অভিশাপ

বিস্তারিত পড়ুন

শতাব্দীর অভিশাপ

আলতামাস পাশা

মাটির পৃথিবীতে কোনো স্বপ্ন নেই। শুধু সর্নিবন্ধ সন্তাপ ভাঙ্গা মাটি কঠিন পাথর… পূর্বে পশ্চিমে পশ্চাতে উঠছে অরুন্তদ আর্তনাদ অন্তহীন প্রতিবাদের অণু-পরমাণু ভাঙা নাগালিভ এর মতো কাঁপছে… নির্বীয ঈশ্বর স্থবির ঈশ্বর ক্লিষ্ট পঙ্গু ঈশ্বর সৃষ্টি মুর্হূমুহূ ডুবে যায় ঘন তমিস্রার মাঝে বন্দি আত্না প্রত্নতত্ত্বে নেহারিয়া জীবনের রূঢ় পরিস্থিতি স্থূল পরিস্থিতি নিরাভ… নগ্ন বর্ণহীন বৈচিত্রহীন শুকর শিশ্নে কাঁপে প্রতিচ্ছায়ার প্লাবন।

শেষ সূর্য

বিস্তারিত পড়ুন

শেষ সূর্য

আলতামাস পাশা

দিনের শেষ সূর্য রেখে যায় আলোর অন্তিম চিহ্ন গাছের পাতায়, ফুলের পাঁপড়িতে অনামিকার ঠোঁট ও স্তনের চূড়ায়। সন্ধ্যাবেলা আগুন জ্বলে, উত্তাপ ছড়ায়। আদিম সন্ধ্যা, আদিম রাত ঘনায়। যেখানে পুরুষ ঘাস হয়, হয় শিশিরের কণা, তারপর পুরুষটি জীবন প্রমিত বলে বিশ্বাস করে। গঙ্গা সঙ্গমে ¯œাত অনামিকা নিজেরই ভুলে ঝাপটায় ডানা অবুঝ পাখির মতো রাত শেষ হলে।।

নাচো হে কচিকাঁচার দল

বিস্তারিত পড়ুন

নাচো হে কচিকাঁচার দল

আলতামাস পাশা

হাজংরা গেয়ে ওঠে, ‘নাসেক নাসেক হাপাল গিলা’ ‘নাচো নাচো হে, কচিকাঁচারদল’ প্রান্তিক মানুষেরা টিভির পর্দায় নেচে গেয়ে কোর্পোরেট কর্তাব্যক্তি, চাকরিজীবিদের নাচায়। মাতয়ারা এখন সারা দেশ। কচিকাঁচারা এখন টেম্পোতে ঝোলে; কচিকাঁচারা এখন টং ঘরের হোটেলে; কচিকাঁচারা এখন শহরের অলিগলিতে ছুটে চলে জীবিকার খোঁজে। আসলে তাদের নাচার সময় কই? জীবনই তাদের নাচায় মজা করে- ক্ষুধায় আর অভাবের তাড়নায় সর্বত্র- জীবন ট্রাকের সামনে ও পেছনে আর টেম্পোটতে ঝুলন্ত ওই ‘হাপাল গিলা’, কচিকাঁচারার দল’, ছুটে চলে তেল, চিনি, চাল-ডালের সন্ধানে নেচে, নেচে!! তাই, আসুন, সবাই উচ্চ কন্ঠে গেয়ে উঠি, ‘নাসেক নাসে...

সব খেয়ে শেষ করলো

বিস্তারিত পড়ুন

সব খেয়ে শেষ করলো

আলতামাস পাশা

ওই পোকায় সব খেয়ে শেষ করলো। তবু কেউ করলো না প্রতিবাদ, কিছু তুর্কী তরুণ-তরুণী হইচই করে সকাল-রাতে না খেয়ে বসে রইল।। সন্ধ্যার আড়ালে কুয়াশা ঢাকা আলো আঁধারে খিঁচুড়ি রান্না হলো নাম না জানা সংগ্রামের অন্তরালে।। তারপর এলো এক স্বপ্নচারী কল্পলেখক; মিষ্টি কথার ফুলঝুরিতে মাতয়ারা সব তরুণ-তরুণী, চোখের জলে ভেসে উথাল-পাথাল, ভাঙল তারা অনশন। তারপর... তারপরও তুমি শুনতে চাও? কী আর শোনাবার আছে ‘সুবোধ’দের? ওরা যে কেবলই পালায়, নিজের থেকে, সমাজ থেকে, স্বদেশ থেকে, ভূমধ্যসাগরের অগাধ জলে ডুব সাঁতার দিয়ে মরতে।।

bdjogajog