গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স) পঞ্চম পরিচ্ছেদ

বিস্তারিত পড়ুন

গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স) পঞ্চম পরিচ্ছেদ

আলতামাস পাশা

পঞ্চম পরিচ্ছেদ গাঁয়ের সেরা ধনী মিস হ্যাভিসহাম। মস্ত বাড়ি। পাঁচিল ঘেরা। ছোট ছেলেমেয়েদের কাছে সে বাড়িটা ছিল বিস্ময়ের মত। মিস হ্যাভিসহাম অদ্ভূদ মেজাজের মানুষ। তাঁর বাতিকের শেষ ছিল না। গাঁয়ে তাকে নিয়ে অনেক প্রবাদ চালু আছে। বাইরের কারুর সঙ্গে তার মিলমিশ নেই। নিজেদের আবেষ্টনীর মধ্যেই তারা বদ্ধ থাকতো। কি তাদের রহস্য, কি তাদের গোপনীয়তা, কেউ তা জানতো না। একদিন কামার জো পিপকে নিয়ে সেই রহস্যপুরীতে গিয়ে হাজির। দুরুদুরু বুক নিয়ে পিপ এলো। সত্যি সত্যিই ভারী লোহার মস্তো গেটটা ভিতর থেকে বন্ধ। তারা সেখানে উপস্থিত হলে পিপের বয়সী একটি সুন্দরী মেয়ে একটি লোহার চাবি হাতে এলো গেট...

গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স) চতুর্থ পরিচ্ছেদ

বিস্তারিত পড়ুন

গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স) চতুর্থ পরিচ্ছেদ

আলতামাস পাশা

চতুর্থ পরিচ্ছেদ প্রথম থেকেই পিপের মুখে কোন কথা নেই। ভগিনীপতির মনের ভাব তার অনুকূল বুঝে এতোক্ষণে সে মুখ খুললো। আমরা যদি তাদের সামনে পড়ে যাই? তা কেন? আমরা তো অনেকটা পিছিয়ে আছি। ওরা ঠিক অন্যদিকে লুকিয়েছে। আমি টাকা বিলিয়ে দিতে রাজি, ওরা যদি পালাতে পারে। জো’র মুখেই থেকে গেলো কথাগুলো- আচম্বিতে সমুখের দিকে ভয়ানক চীৎকার ধ্বনী উঠলো তা যেমন হৃদয়বিদারক, তেমনি ভীতিপ্রদ! সে কিসের আর্ত হাহাকার? যেদিক থেকে চীৎকার শোনা গেলো সকলেই দৌড়ে গেলো সে-দিকে। দূর থেকে দেখা গেল, দু’জন পলাতক মরণ কামড়ে জড়াজড়ি করছে। চারদিক থেকে সশস্ত্র পুলিশ দল এগিয়ে আসছে দেখে তাদেও মধ্যে বলবান ডাকাতটা এক হা...

গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স)

বিস্তারিত পড়ুন

গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স)

আলতামাস পাশা

তৃতীয় পরিচ্ছেদ কামার জোর বাড়িতে বড়দিনের আনন্দ কোলাহল। আজ রকমারি রান্নাবান্না হয়েছে। জো’র চাচাও এসেছেন দাওয়াত খেতে। লোকটার নাম: পাম্বলসুক। মেজাজ তাঁর তিরিক্ষে। চেঁচিয়ে কথা বলেন। কথা তো বলেন না যেন তেড়ে উঠেন। খনখনে গলার আওয়াজ। মারমার স্বভাব। খাবার টেবিলে গিয়ে বসেছে সবাই। চাচা লোকটা সেই তখন থেকে লেগেছেন পিপের পিছনে। এই বাচ্চা, খুব যে হাপুস-হুপুস চালাচ্ছিস? ঐার খাচ্ছিস, তার কথাও মনে রাখিস এক আধবার। খালি গরুর মতো গিলবি না বুঝেছিস? মনে রাখবি আমার কথাটা।’ বোনের গলাও এক পর্দা উঠে আসে। বলে. ‘ খা বাপু খেয়ে নে। তবে গুরুজনদের কথাও শুনতে হয়। অন্যদিকে ভগরিপতি জো‘র এসব দিকে ...

গ্রেট এক্সপেক্টেশন  (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স)

বিস্তারিত পড়ুন

গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স)

আলতামাস পাশা

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ রহস্য ঘনিয়ে এলো (দ্বিতীয় পর্ব) সামনে গোরস্থানের পথ শেষ হয়ে গেলো। পিপ গিয়ে পড়লো বড় গাছটার গুঁড়ির কাছাকাছি। এ পাশ থেকে সে দেখলো, লোকটা ঝিমুচ্ছে। কে জানে লোকটার শীতই লাগছে বোধ হয়। মনে মনে ভাবলো সে, এই বোধ হয় এই জোয়ানমদ্দ রাক্ষসটা! বাব্বা, ওর কাছে গিয়ে কাজ নেই আমার। দেখতে পেলে খেয়ে ফেলতে কতোক্ষণ? তবু সে একপা একপা কওে এগিয়ে গেলো তার কাছে। কি জানি, খাবার পেয়ে লোকটা যদি খুশি হয়? কিন্তু বৃথা ভাবনা। তাকে জোরেশোরে ধাক্কা দিয়ে ফেলেই সে এক ছুটে পালিয়ে গেল অন্ধকারে- সমুখের কুয়াশার রাজ্যে। পরক্ষণে সে হারিয়ে গেল। হতভম্ব পিপ উঠে পড়ে খুঁজতে লাগলো প্রথমোক্ত সেই দান...

গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স) ধারাবাহিক উপন্যাস (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ)

বিস্তারিত পড়ুন

গ্রেট এক্সপেক্টেশন (মূল উপন্যাস: চার্লস ডিকেন্স) ধারাবাহিক উপন্যাস (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ)

আলতামাস পাশা

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ রহস্য ঘনিয়ে এলো ছোট্ট ছেলে পিপের কাঁপুনির দিকে লোকটার এতোটুকু নজর নেই। তার বীভৎস কদাকার মুখটা তখন পিপের চোখের সামনে। কী বিশাল তার চোখ দুটি। পিপ চেয়ে নিশ্চল হয়ে পড়লো। ভয়ে তার বুকের ভিতরটা ঢিপঢিপ করতে লাগলো। লোকটা গম্ভীর গলা বললো, ‘তুই এখুনি ছুটে পালা। কিন্তু ভোর না হতেই নিয়ে আসবি করাত আর হাতুড়ি। দুটোই আমার চাই। নইলে তোর কলজে খাবো। তোর রক্ত খাবো-’ পিপের প্রাণ তখন প্রায় কণ্ঠাগত। এতো শীতের মধ্যেও তার শরীর ভওে দরদও করে ছড়িয়ে পড়ছে ঘাম। এক গা ঘেমে উঠেছে সে! দানবটার মনে নেই এতোটুকু করুণা। কী ভয়ংকর তার চাউনি। তার কঠিন কণ্ঠস্বও ডুকরে উঠলো আবার, বিপ...

bdjogajog