নিস্তব্ধ রাত্রির শপথ সামনের অন্ধকার পথ কাঁটায় ভরা। অমাবস্যা আজ, কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি। চন্দ্রকলার অদৃশ্যকাল; এমন অমানিশা রাতে প্রেতপুরীতে চলে গোপন অভিসার।। এমন নিকষ রাতে তুমি নাই- আমি নাই সব একাকার।।
সব উচ্ছ্বাস এক সময় থেমে যাবে, তুমি তখন আবার মেতে উঠবে নতুন কিছু নিয়ে। জী্বন কেবল উচ্ছ্বাস আর উৎকণ্ঠায় ভরা কত বার নানা রঙের উচ্ছ্বাস, উৎকণ্ঠা, আকুলতা তুমি পার হয়ে এলে। এ যেন প্রশান্ত মহাসাগরের ঢেউয়ের মতো; অথবা, আতলান্টিক মহাসাগরের শীতলতম ঢেউয়ের আহাজারি; কিন্তু সব উচ্ছ্বাস, উৎকণ্ঠা, আকুলতা, আকাঙ্খা থেমে যাবার পরে তোমার অবস্থান কোথায় হবে? নতুন ভেসে উঠা পদ্মা সেতুতে? না’কি কিছুটা পুরাতন যমুনা সেতুর ফাটল ধরা অংশে??
মাটির পৃথিবীতে কোনো স্বপ্ন নেই। শুধু সর্নিবন্ধ সন্তাপ ভাঙ্গা মাটি কঠিন পাথর… পূর্বে পশ্চিমে পশ্চাতে উঠছে অরুন্তদ আর্তনাদ অন্তহীন প্রতিবাদের অণু-পরমাণু ভাঙা নাগালিভ এর মতো কাঁপছে… নির্বীয ঈশ্বর স্থবির ঈশ্বর ক্লিষ্ট পঙ্গু ঈশ্বর সৃষ্টি মুর্হূমুহূ ডুবে যায় ঘন তমিস্রার মাঝে বন্দি আত্না প্রত্নতত্ত্বে নেহারিয়া জীবনের রূঢ় পরিস্থিতি স্থূল পরিস্থিতি নিরাভ… নগ্ন বর্ণহীন বৈচিত্রহীন শুকর শিশ্নে কাঁপে প্রতিচ্ছায়ার প্লাবন।
দিনের শেষ সূর্য রেখে যায় আলোর অন্তিম চিহ্ন গাছের পাতায়, ফুলের পাঁপড়িতে অনামিকার ঠোঁট ও স্তনের চূড়ায়। সন্ধ্যাবেলা আগুন জ্বলে, উত্তাপ ছড়ায়। আদিম সন্ধ্যা, আদিম রাত ঘনায়। যেখানে পুরুষ ঘাস হয়, হয় শিশিরের কণা, তারপর পুরুষটি জীবন প্রমিত বলে বিশ্বাস করে। গঙ্গা সঙ্গমে ¯œাত অনামিকা নিজেরই ভুলে ঝাপটায় ডানা অবুঝ পাখির মতো রাত শেষ হলে।।
হাজংরা গেয়ে ওঠে, ‘নাসেক নাসেক হাপাল গিলা’ ‘নাচো নাচো হে, কচিকাà¦à¦šà¦¾à¦°à¦¦à¦²â€™ পà§à¦°à¦¾à¦¨à§à¦¤à¦¿à¦• মানà§à¦·à§‡à¦°à¦¾ টিà¦à¦¿à¦° পরà§à¦¦à¦¾à§Ÿ নেচে গেয়ে কোরà§à¦ªà§‡à¦¾à¦°à§‡à¦Ÿ করà§à¦¤à¦¾à¦¬à§à¦¯à¦•à§à¦¤à¦¿, চাকরিজীবিদের নাচায়। মাতয়ারা à¦à¦–ন সারা দেশ। কচিকাà¦à¦šà¦¾à¦°à¦¾ à¦à¦–ন টেমà§à¦ªà§‹à¦¤à§‡ à¦à§‹à¦²à§‡; কচিকাà¦à¦šà¦¾à¦°à¦¾ à¦à¦–ন টং ঘরের হোটেলে; কচিকাà¦à¦šà¦¾à¦°à¦¾ à¦à¦–ন শহরের অলিগলিতে ছà§à...
