জোড়া দোয়েল শহর ঢাকায় জোড়া দোয়েল শীস তুলে গায় গান; ভাবখানা সে জাতীয় পাখি সেই সুখে অজ্ঞান। পাখি জগত ছোট্ট তো নয় অনেকখানি বড়, ছোট বড় নানান জাতের পাখি আছে জানি তাদের মাঝে দোয়াল যেন বাংলাদেশে রানি। রানির কথাই উঠলো যখন, তখন বলে রাখি, আছে অনেক মানুষ জানি মোটেই পাখি পছন্দ না, পুষে কুকুর নানা রকম। পাখির জগত বিচিত্র যে জানতে তাদের মানা।
স্তব্ধ প্রকৃতি, স্তব্ধ মানবতা ও মনুস্যত্ব স্তব্ধ পৃথিবীর আর সব প্রান্তের মানুষজন, নারী এবং পুরুষ। বিস্তৃত অন্তর আত্না, পাখি, পশু, বৃক্ষ এবং তরুলতা। কাদেঁ মানুষের মন, চোখ বেয়ে গড়ায় জল। ছোট্ট শিশু অসুস্থ মানসিকতার আঘাতে হয় ক্ষতবিক্ষত। বাতাসে আর্তনাদ ওঠে. “আমারে কেউ বাঁচা না রে”। এ আর্তনাদ শিহাবের একার নয়, অভাগা এদেশে সাধারণ চোর মার খায়, রাস্তায় গণপিটুনী চলে, হয়না বিচার কোনো; এমনি ভাবে মার খায় বিদ্যালয়ে শিশু মানসিক বিকারগ্রস্ত শিক্ষকের হাতে।। শহর ঢাকার মানুষজন আড়ালে আবদালে গৃহ আবব্ধ কাজের শিশুকেও নির্যাতন করে। ভাষাহীন শিশু সব নিরবে সয়ে যায় গরম খুনতির ছ্যাক...
পাশাপাশি থাকা শহর ঢাকায় বস্তিবাসী, আগুন ও মাস্তান পাশাপাশি থাকে। ওখানে আগুন লাগলে অভিজাত পাড়ায় এসি চলে কেউ একা আগুন কিংবা বস্তি তাকে স্পর্শ করে না। শহরের বস্তিতে সব গরম বা শীতে প্রজ্জ্বলিত হয় বস্তিবাসী মানুষ সে আগুনে মাস্তানের সিগারেট জ্বলে। অভিজাত পাড়ায় চলে যায় এ পাড়ার ডাইল, নারী, জুয়াও তবু মাস্তান, বস্তিবাসী ও আগুন পাশাপাশি থাকে।
তুমি আর আসো না, এখন আর তুমি ঝরা পাতায় শব্দ তুলে আমার কাছে আসো না। সময় কেটে যায় ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড করে। এখন আর আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামে না। এই শহরে এখন প্রচন্ড খরা। নীল আকাশে কিছু আবাবিল পাখি তোমার অপেক্ষায় থাকে। বিকেলের ক্লান্ত রৌদ্দুর গাছের পাতাগুলোকে সোহাগ ভরে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়, তবু তুমি আসো না। শহরের কোলাহল মুখর যানবাহন আর মানুষের ভিরে তোমাকে একটিবারও খুঁজে পাই না। ভার্সিটির বিকেলের ক্লাস শেষে কলা ভবনের গেট পেরিয়ে যখন রিকশা খুঁজি, চারপাশ ভালো করে দেখে নেই, কোথাও তুমি আছো কি’না। চায়ের দোকান অথবা ডাসে কোথাও তুমি নাই। টিএসসির সবুজ ঘাসের ওপর দুটো শালিক আপন মন...
শক্র মুক্ত রাজ্যে নেতা ফিরে এলো ঘরে ঘরে সাজ সাজ রব ওঠে তাই, নেতা ফিরে এলো। যুদ্ধের দিনে নেতা বন্দি ছিল শক্র রাজ্যে। তবু নেতার নামেই যুদ্ধ। ঘর ছাড়া, গ্রাম ছাড়া সবে। শরণার্থী চলে সব একাকী, দলবেঁধে অনিশ্চিতের পথে। রাজ্য হারা মানুষগুলো যুদ্ধ করে- নয় মাস ধরে বনে, জঙ্গলে, মাঠে, নদীতে, পাহাড়ে, যুদ্ধ চলে ঘরে এবং মনের গহীনে। সাধারণ মানুষ, মুক্তি সেনা, শরণার্থী- ওরা ফিরে আসে দলে দলে, গ্রামে এবং শহরে। আবার মুখরিত হয় মানুষের জীবন, পাল্টে যায় পতাকা, পাল্টে যায় মনের সব ইচ্ছা ও বাসনা। তারপর একদিন নেতাকে হত্যা করে তারা মেতে উঠে উল্লাসে। কারণ? যুদ্ধ শেষে নেতার জন্য সবার মনে আবে...
